নিহত আয়েশা বেগম মগনামা ইউনিয়নের লঞ্চঘাট এলাকার মো. জামাল হোসেনের মেয়ে। সে স্থানীয় মগনামা শাহ রশিদিয়া আলিম মাদরাসার নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে আয়েশা মাদরাসার উদ্দেশে বাড়ি থেকে রওনা হয়। মাদরাসা ছুটি হওয়ার পরও সে বাড়ি ফেরেনি।
এরপর পরিবারের সদস্যরা তাকে খোঁজাখুঁজি করেও হদিস পায়নি।
মাদরাসার অধ্যক্ষ মৌলানা মোহাম্মদ নূর জানান, আয়েশা নিয়মিতভাবে মাদরাসায় আসত। তবে বৃহস্পতিবার সে অনুপস্থিত ছিল।
কন্যাশোকে মা নছুমা খাতুন গতকাল আহাজারি করছিলেন। তিনি বলেন, ‘আমার মেয়েকে বখাটেরা অপহরণ করে শারীরিক নির্যাতন চালিয়েছে। এরপর তাকে বীভৎসভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমার মেয়ের ওপর এমন বর্বরতা যারা চালিয়েছে, তাদের কঠিন শাস্তি চাই।’
পেকুয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিজানুর রহমান বলেন, ‘ভুক্তভোগীকে কোনো বখাটে উত্ত্যক্ত করে আসছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিষয়টি নিশ্চিত হবে। এ ঘটনায় সন্দেহভাজনদের ধরতে পুলিশের অভিযান চলছে।’
পেকুয়া থানার ওসি মো. কামরুল আজম বলেন, ‘ধারণা করা হচ্ছে, ওই শিক্ষার্থীকে হত্যার পর বস্তাবন্দি করে লাশ ফেলে যায় দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।’

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন